
নিজস্ব সংবাদদাতা :
জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হওয়ায় ‘বিজেপি’ ময়মনসিংহ জেলা শাখার আহ্বায়ক এডভোকেট খন্দকার নাজমুল হক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বিএনপি জোটের শরিক দল থেকে মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ।
তিনি মন্ত্রী হওয়ায় ময়মনসিংহে মিষ্টি বিতরণ করেছেন দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় ভোলার উন্নয়নে তিনি ভূমিকা রাখবেন-এমন প্রত্যাশা ময়মনসিংহবাসীর।
পার্থর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ময়মনসিংহ জেলা শাখার আহ্বায়ক খন্দকার নাজমুল হক।
খন্দকার নাজমুল হক বলেন, বহুদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে,আন্দালিভ রহমান পার্থ মহোদয় মন্ত্রী হওয়ায় আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি ময়মনসিংহ জেলা বিজেপি’র পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
এদিকে জনপ্রিয় নেতা আন্দালিব রহমান পার্থ মন্ত্রী হওয়ার খবরে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও তাকে শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে
পারিবারিকভাবেই রাজনীতিতে আসেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তার বাবা মরহুম নাজিউর রহমান মঞ্জু জাতীয় পার্টির (এরশাদ) মন্ত্রী ও মেয়র ছিলেন। মা শেখ রেবা রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগনি। দেশ-বিদেশে পড়াশোনা শেষে ২০০৮ সালে পিতা নাজিউর রহমানের মৃত্যুর পর বাবার প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)’র হাল ধরেন আন্দালিভ রহমান পার্থ। ওই বছরই বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী হন ভোলা-১ আসন থেকে। আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা অ্যাড. ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
সংসদে তারুণ্যের আইকন হিসেবে ব্যাপক ভূমিকা রেখে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় আসেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। এরপর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর চলতি বছরের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় ভোলায় ব্যাপক আনন্দ-আলোচনা ও মিষ্টি বিতরণ চলছে। অতীতের সব গ্লানি মুছে ভোলার উন্নয়নে এবার তিনি ব্যাপক ভূমিকা রাখবেন।
লেজুড়ভিত্তিক রাজনীতি, ধান্দা ও টেন্ডারবাজির সঙ্গে সম্পৃক্ত না হয়ে ক্লিন ইমেজের পরিচয় ফুটে ওঠে তার রাজনৈতিক বলয়ে। স্বচ্ছ রাজনীতির কারণে বিএনপি ও জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ সহচর হয়ে ওঠেন তিনি। বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্নেহের সুদৃষ্টিতে আসেন এ তরুণ রাজনীতিবিদ। সংসদে তুখোড় বক্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে দেশ-বিদেশে আলোচনায় আসেন। টিভি, টকশো ও আলোচনায় তুখোড় বক্তা হিসেবে সমাদৃত হন তিনি।
২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বিরোধী রাজনীতিতে থেকে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আরও বেশি আলোচিত হন তিনি। আওয়ামী শাসনামলে তিনি নিজের নীতি ও আদর্শিক ভূমিকায় থেকে জেলও খেটেছেন কয়েকবার। স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে তিনি তার স্বচ্ছ নীতিবোধ আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলেন-সোচ্চার ও অবিচল।
২০২৬ সালে আবার বিএনপির টিকিট নিয়েই ভোলা-১ আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো প্রায় ৩০ হাজারের অধিক ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে পার্থর ভূমিকার পরিধি আরও বাড়ল। নতুন দায়িত্বে তিনি জেলার দীর্ঘদিনের দাবি উন্নয়ন ও নাগরিক সমস্যাগুলো জাতীয় পর্যায়ে সমাধানে এগিয়ে আসবেন বলে আশা করছেন দেশবাসী।